বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
চলতি মাসেই দেশে নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৭ জনের। এদের ৫ জনেরই মৃত্যু হয়। আইইডিসিআর বলছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর শনাক্ত ও মৃত্যু দুটোই দ্বিগুণ। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে খেজুরের কাচা রস না খাওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য বিভাগের।
দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সানোয়ার হোসেন। গত শুক্রবার জ্বরে আক্রান্ত হয় সে। প্রথমে কবিরাজ ও পরে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় পাবনা থেকে নেয়া হয় রাজশাহী মেডিকেলে।সেখানেই সোমবার মারা যায় সে। আক্রান্ত ছিল নিপাহ ভাইরাসে।
শুধু চলতি মাসেই রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, রাজবাড়ি, শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও নরসিংদীতে নিপাহ শনাক্ত হয়েছে ৭ জনের। অথচ ২০২২ সালের পুরো বছরে এই সংখ্যা ছিল তিন। এবার শনাক্ত ও মৃত্যু দুটোই দ্বিগুণ।
আইইডিসিআরের তথ্য মতে, দেশে গত ২০ বছরে নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩৩৪ জনের। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৩৬ জন। আর যারা বেঁচে যান, তাদেরও বহন করতে হচ্ছে নানা জটিলতা।
আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরীন জানান, নিপাহ একটি ভয়ঙ্কর ভাইরাস। ছড়ায় বাদুড়ের মাধ্যমে। ভাইরাস বাদুড়ের কোনো ক্ষতি করতে না পারলেও আক্রান্ত রোগীর ৭১ ভাগই মারা যায়।
২০০১ সালে মেহেরপুরে প্রথম শনাক্ত হয় নিপাহ ভাইরাস। ২০২২ সালে শনাক্ত হয় ৩ জন, মৃত্যু হয় ২ জনের। ২০২৩ সালে এখন পর্যন্ত শনাক্ত ৭ জনের, মৃত্যু হয় ৫ জনের। বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে ফরিদপুর, রাজবাড়ি, নওগাঁ, লালমনিরহাট ও মানিকগঞ্জে।